কমেছে শবজি ও মাছের দাম


দাম কমতে শুরু করেছে শবজি ও মাছের। মাছ বিক্রেতাদের ভাষ্য, বর্ষার পানি কমতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে খাল বিলের মাছ ধরা পড়ে। যে কারণে মাছের সরবরাহ বেড়েছে।
শুক্রবার ছুটির দিনে রাজধানীর কারওরান বাজার ও মহাখালি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। ফুলকপি ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। শিমের দাম ৬০ টাকা। বেগুন ৩০-৪০ টাকা, করলা ৪০-৫০ টাকা, টমেটো ৮০ থেকে ১০০ টাকা, গাজর ৭০ টাকা, মুলা ৩৫-৪০ টাকা, শশা ৫০-৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৩০ টাকা।
এছাড়া কঁচুর লতি ৪০-৪৫ টাকা, প্রতি আঁটি লাউ শাক ২৫ টাকা, লাল শাক ও সবুজ শাক ২০ টাকা, পালং শাক ২৫ টাকা, পুঁই শাক ২০ টাকা ও ডাটা শাক ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রোকলি প্রতিটি ৩০-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মহাখালি কাঁচা বাজারের বিক্রেতা বাবুল বলেন, আগামি ৩-৪ মাস শবজির দাম বাড়ার সম্ভাবনা কম। শীতকালীন টাটকা শাক-শবজি আসতে শুরু করবে আর কিছুদিন পর। তখন দামও কম থাকবে।
এদিন গরুর মাংস প্রতি কেজি ৪শ` ২০ টাকায়, খাসি ৫৫০-৬০০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৬০-১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া প্রতি কেজি রুই মাছ ২০০-৩০০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০-২০০, সিলভার কার্প ১২০-১৩০ টাকা, আইর মাছ ৪০০-৫০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৫০০-৮০০ টাকা, পুঁটি ১৮০-২০০ টাকা, পোয়া ২৫০-৩৫০ টাকা, মলা ২২০-৩০০ টাকা, পাবদা ৫০০-৬০০ টাকা, বোয়াল ৩৫০-৫০০ টাকা, শিং ৫০০-৭০০, দেশি মাগুর ৬৫০-৭০০ টাকা, শোল মাছ ৪০০-৬০০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০-১৬০ টাকা, চাষের কৈ ১৫০-২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা ফারুক জানান, বর্ষার শেষে খাল বিলে প্রচুর মাছ ধরা পড়ছে। যে কারনে বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়েছে। এ অবস্থা আরো দু’ মাস থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন


ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন


‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’
রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন













