বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

‘সম্পদ না দিতেই’ সুস্থ মেয়েকে ক্লিনিকে রেখেছেন বাবা

সুস্থ থাকার পরও মেয়েকে পাবনার একটি মানসিক ক্লিনিক থেকে বাবা নিয়ে যাচ্ছেন না। সম্পদ না দিতেই ক্লিনিকে ফেলে রেখেছেন বলে বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মেয়ে।

স্বামীর বিচ্ছেদ, মায়ের মৃত্যুর পর বাবার দ্বিতীয় বিয়ে ও ভাইকে কারাগারে পাঠানোর চাপে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন নাহিদা আক্তার বীথি (৩১)। ক্লিনিকে ভর্তির পর চট্টগ্রামের হরিদাসপুর গ্রামের ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেনের মেয়ে বীতি এখন সুস্থ হয়েও সেখানে এক ধরনের বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। সুস্থ রোগীকে না নিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ।

তাই এ বছরের ২০ সেপ্টেম্বর পাবনার পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ও পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। এতেও কাজ না হওয়ায় ২৭ সেপ্টেম্বর বীথির বাবার কাছে আইনি নোটিশ পাঠায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। এই নোটিশের জবাবে ‘ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ মেয়েকে জোর করে আটকে রেখেছেন’ বলে উল্টো অভিযোগ করেন।

তবে বীথির অভিযোগ, সুস্থ হয়ে ওঠার দেড় বছর পরও শুধু সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতেই বাবা তাঁকে ক্লিনিক থেকে নিয়ে যাচ্ছেন না। এমনকি বিন্দুমাত্র খোঁজও নেন না।

ক্লিনিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের শেষের দিকে পাবনার সুরমা মানসিক ক্লিনিকে ভর্তি করেন বীথির বাবা। ভর্তির ছয় মাসের মাথায় বীথি সুস্থ হয়ে উঠলেও এখনো তাঁকে নিয়ে যাননি বাবা।

পাবনার সুরমা মানসিক ক্লিনিকের পরিচালক সায়েন শেখ বলেন, বীথি ক্লিনিকে ভর্তির পর পাবনা মানসিক হাসপাতালের তৎকালীন চিকিৎসক ডা. জোবায়ের মিয়া তাঁর চিকিৎসা করেন। ভর্তির ছয় মাসের মাথায় সুস্থ হয়ে ওঠেন বীথি। এরপর বীথির সুস্থতার বিষয়টি তাঁর বাবাকে জানিয়ে মেয়েকে ফিরিয়ে নেওয়ার কথা বললেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

ক্লিনিক পরিচালক আরো জানান, ভর্তির পর একদিনের জন্যও নিজের মেয়ের খোঁজ নেননি বাবা।

গত রোববার ওই ক্লিনিকে গিয়ে কথা হয় নাহিদা আক্তার বীথির সাথে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ২০০৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সন্দ্বীপের বুলবুল আহম্মেদ নামের এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয়। তাঁদের পরিবারের টাকায় বিদেশ যান বুলবুল। বছর খানেক পর স্বামী-স্ত্রী ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এর মধ্যে ২০০৬ সালের ২৮ মে তাঁর মা মারা গেলে দ্বিতীয় বিয়ে করেন বাবা। এরপর থেকেই বীথি ও তাঁর বড় ভাই বরকতের ওপর চলতে থাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। ভাইকে পাঠানো হয় জেলে। একপর্যায়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় বীথিকে ভর্তি করা হয় ক্লিনিকে।

এমন পরিস্থিতিতে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নাহিদা আক্তার বীথি। সবার সহযোগিতায় বীথি ক্লিনিক থেকে পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চান।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন

‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’

রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন

  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: মাকে মারধর ও ভাঙচুর।
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • সিলেটে মোহসিন আহমেদ চৌধুরীর বাসভবনে হামলা ও ডাকাতি
  • রাবিতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ
  • ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে হিন্দু নারী ও তার মায়ের ওপর হামলার অভিযোগ
  • প্রবাসী লেখককে হত্যার হুমকি, গ্রামের বাড়িতে তাণ্ডব
  • ডিএমপি: ৫ আগস্ট পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • সিলেটের জঙ্গি নেতা আব্দুল বারি ও শামসু জামিনে মুক্ত