চাপের মুখে টাকা ফেরত দিলেন ভোটাররা!


কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা দেয়ার পরও মাত্র ১ ভোট পেয়েছেন সদস্য প্রার্থী ডা. আমিনুল ইসলাম। পরে তার চাপের মুখে টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছেন ভোটাররা।
নাগেশ্বরী উপজেলায় ভিতরবন্দ, হাসনাবাদ, নেওয়াশী, রামখানা ও সন্তোষপুর ইউনিয়ন নিয়ে জেলা পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড গঠিত। এই ওয়ার্ডে অটোরিকশা প্রতীক নিয়ে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ভিতরবন্দ ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ডা. আমিনুল ইসলাম।
বিজয় নিশ্চিত করতে নির্বাচনের কয়েকদিন আগে তিনি তার চাচাত ভাই বাতেনের বাড়িতে ওই ইউনিয়নের ১২ জন ইউপি সদস্যকে দাওয়াত করে খাওয়ান এবং দুই কিস্তিতে প্রতিজনকে ২০ হাজার টাকা করে দেন।
কিন্তু ভোট পেয়েছেন মাত্র ১টি। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ভোটের পরদিন ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ভোটারদের কাছে টাকা ফেরৎ চান। চাপের মুখে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম খন্দকারের উপস্থিতিতে ইউপি সদস্য নুর ইসলাম, ইউনুছ আলী, মাইনউদ্দিন, মুকুল মিয়া, রুহুল আমিন, হাবিবুল ইসলাম, ফেরদৌস আলম, জিয়াউর রহমান টাকা ফেরৎ দেন। অপর চারজন সন্ধ্যার মধ্যে টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিস্তার পান।
ওই ইউপি সদস্যরা জানান, আমরা তার (ডা. আমিনুল) কাছে কোনো টাকা চাইনি, তিনিই জোর করে আমাদের টাকা দিয়েছেন। তিনি অযোগ্য হওয়ায় আমরা তাকে ভোট দেই নাই। তিনি টাকা ফেরৎ চাওয়ায় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তা ফেরৎ দিয়েছি।
এ ব্যাপারে পরাজিত প্রার্থী ডা. আমিনুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ‘ভোট দিতে চেয়ে টাকা নিয়েছিল। ভোট দেয় নাই, তাই টাকা ফেরৎ নিচ্ছি।’
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন


ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন


‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’
রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন













