শনিবার, জুলাই ১৮, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

বাঁশের চাই তৈরি শিল্প হারাতে বসেছে, বালিয়াকান্দিতে ভাল নেই কারিগররা

রাশেদ খান মিলন, রাজবাড়ী প্রতিনিধি: নিষিদ্ধ মাছ ধরার কারেন্ট জালের ব্যাপক বিস্তারের ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার বাঁশের তৈরি পলো ও চাই। এক সময়ে গ্রাম বাংলার খাল-বিল, নদী-নালা থেকে মাছ ধরার জন্য ব্যবহার করা হতো বাঁশের তৈরি এসব পণ্য সামগ্রী।

এই শিল্পের ওপরে জীবিকা নির্বাহ করতেন রাজবাড়ী জেলার শত শত পরিবার। সারাদেশের ন্যায় রাজবাড়ী জেলার খাল-বিল, নদ-নদী নব্যতা হারানোর কারণে এবং কারেন্ট জালের ব্যাপক বিস্তারের ফলে এই শিল্পে জড়িত কারিগরদের পরিবার-পরিজন নিয়ে দিন ভাল যাচ্ছে না তাদের।

অভাব-অনটন ও এনজিওর ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে এ পেশার মানুষরা। অনেকেই জীবন জীবিকার প্রয়োজনে এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশা বেছে নিয়েছে।

রাজবাড়ীর জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউপির প্রায় ৫০০টি পরিবার মাছ ধরার চাই তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করছে। বর্ষাকালে নদী, খাল-বিল, পুকুর পানিতে ভরে ওঠে। গ্রামের কিশোররা কলা গাছের ভেলা বানিয়ে ভেসে বেড়ায় বিলের জলে। মাছ ধরার আনন্দে মেতে উঠে সব বয়সের মানুষ। বর্ষাকাল আসতে এখনও অনেক দেরি আর এখন থেকেই মাছ ধরার প্রয়োজনীয় সামগ্রী তৈরিতে আগে ভাগেই ব্যাস্ত সময় পার করছে কারিগররা।

চাই তৈরির কারিগর নবাবপুর ইউপির পদমদী গ্রামের আ. সামাদ খান বলেন, বছর চুক্তিতে ব্যপারীর হয়ে মাছ ধরার সামগ্রী তৈরি করে থাকি। একটি চাই তৈরি করলে ব্যাপারীর কাছ থেকে ১৫-২০ টাকা পেয়ে থাকি।দিনে ১৫-২০টি চাই তৈরি করি। এ থেকে যা আসে তাই দিয়েই পরিবার পরিজন নিয়ে কোন ভাবে খেয়ে পড়ে বেঁচে আছি।

পদমদী গ্রামের পশ্চিম পাড়ার বশির শেখ বলেন, আমি দুই বছর যাবৎ মাছ ধরার চাই তৈরি করে থাকি। যা হয় কোন রকম ভাবে দিন চলে।তবে সরকারি সহযোগিতা পেলে বাঁশের বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে দেশে এবং বিদেশের চাহিদা মিটানো সম্ভব।

নবাবপুর ইউপির সদা শিবপুর গ্রামের মো. মিলন শেখ বলেন, আমাদের এলাকায় মোট তিনজন ব্যাপারী আছেন। আর এই তিনজনের কাছে মহিলা-পুরুষসহ মোট ৫০০ জন কাজ করে থাকে।

নবাবপুর ইউপির শিবপুর গ্রামের কুটির শিল্পী ব্যাপারী মো. ছলেমান শিকদার বলেন, ব্যবসার মূল সময় হচ্ছে আষাঢ়-শ্রাবণ-ভাদ্র তিন মাস। আর বাকি কয়েক মাস প্রায় বসেই থাকতে হয়। কারণ এ সময় তো আর খাল-বিল ও জলাশয়ে পানি থাকে না। ২৭ বছর ধরে মাছ ধরা চাই তৈরি করে জীবিকা নিবাহ করছি। চাই তৈরির খড়ি-লাকড়ি কালুখালী ও বালিয়াকান্দি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কিনে এনে বাড়িতে চাই তৈরি করি। প্রতিটা চাই ১০০-১৮০ টাকা দরে ঢাকা, ফরিদপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদাহ, যশোর, বরিশাল, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্রয় করে থাকি।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন

জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্য জোনাস গোমেজ অভিযোগবিস্তারিত পড়ুন

উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ৬ জুলাই ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭বিস্তারিত পড়ুন

  • ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে হিন্দু নারী ও তার মায়ের ওপর হামলার অভিযোগ
  • ডিএমপি: ৫ আগস্ট পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • নরসিংদীতে সন্ত্রাসী হামলায় হার্ট এ্যাটাক হয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
  • ধানমন্ডি ৩২-এ প্রদীপ প্রজ্বলন, অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীর ওপর হামলা
  • ঢাকায় এক দিনে ৪ জনকে পিটিয়ে হত্যা
  • নারায়নগঞ্জে কোটা আন্দোলনকারীর উপর আক্রমন
  • সকাল থেকে ঢাকায় বৃষ্টি
  • রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুই নারীর আত্মহত্যা
  • নান্দাইলে চাচাতো ভাইয়ের হাতে চাচাতো ভাই খুন
  • সবুজবাগে পরিবেশমন্ত্রীর সেলাই মেশিন বিতরণ
  • ঈদযাত্রায় মহাসড়কে  চলছে ধীরগতিতে গাড়ি