মাঝরাস্তায় স্কার্টে টান…., অত:পর তরুণী
ভারতের বেঙ্গালুরুর ব্যস্ত রাস্তা। রাত তখন পৌনে ৯টা। বিট্ঠল মালিয়া রোডের জে ডব্লিউ ম্যারিয়ট থেকে রুশা-র বাড়ি বড় জোর ১৫০ মিটার। রাস্তা পার হতে গিয়েই হল বিপত্তি। অটোয় বসে থাকা এক মধ্যবয়সি লোক হঠাৎ তাঁর গায়ে হাত দেন। শুধু তাই নয়, তাঁর স্কার্টটিও ধরে টেনে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। সেই ইভটিজারকে তাড়া করে পিটিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন রেমি রুশা সেন।
রুশা জানাচ্ছেন, রাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন। সিগনাল থেকে থাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় হঠাত্ অনুভব করেন একটি হাত তার পেছন দিক থেকে তাঁর স্কার্ট ধরে টানছে।
রুশার জানায়, ‘প্রথমে আমি চিত্কার করে উঠি। সিগনালও প্রায় একই সময় খুলে যায়। অটোটি গতি বাড়ি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আমিও সঙ্গে সঙ্গে একটি অটো ধরে পেছনে ধাওয়া করি। আদা কিলোমিটার যাওয়ার পর ধরে ফেলি ওদের। অটো থেকে নামিয়ে রাগ সামলাতে না পেরে গোটা কতক বসিয়ে দিই।’
এ দিকে অটোতে ধাওয়া করার সময় অফিসে এক সহকর্মীকে ফোন করে পুলিশকে জানাতে বলেন রুশা। পুলিশও তত্ক্ষণাত্ কাজ করে। সামনের সিগনালে খবর চলে যায়। অটো থেকে নামিয়ে ওই ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই ব্যক্তি মদ্যপ ছিল। রুশা আরও বলেন, ‘ওই লোকটি তখন এক নাগাড়ে বলে যাচ্ছিল যে সে ভদ্র পরিবারের ছেলে। তাঁর পরিবার, ছেলেমেয়ে আছে। কিন্তু কথা বলার সময়ই বুঝতে পারি সে বেশি মাত্রায় মদ্যপান করে রয়েছে।’
গ্রেপ্তার করার পর লোকটির পরিচয় জানা যায়। ধৃতের নাম আজমল আহমেদ। সেও আগে অটো চালাত। ক্রমাগত ট্রাফিক আইন না মানায় তাঁর অটো সিজ করা হয় মাস খানের আগে। প্রমাণ হিসাবে রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করে পুলিশ। ঘটনার জন্য রীতিমতো রুশা-র প্রশংসা করেছে পুলিশ। ডেপুটি কমিশনার সন্দীপ পাটিল বলেন, ‘সাধারণত, ইভটিজারদের বিরুদ্ধে এ ভাবে মেয়েরা রুখে দাঁড়ান না। রুশা খুব বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ করেছে। পুলিশও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।’
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত
যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন


অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন


বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন













